গাইবান্ধা টার্মিনালে বাসগুলোতে চলছে ধোয়া-মোছার কাজ

0

দীর্ঘ দুই মাস পর রবিবার থেকে চালু হচ্ছে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ সার্ভিস। করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউন আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে সীমিতভাবে অফিস চালুর পাশাপাশি নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে চলবে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ।

এজন্য উত্তরের জেলা গাইবান্ধায় শনিবার (৩০ মে) সকাল থেকেই বাস টার্মিনালে চলছে বাস ধোয়া মুছাসহ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ। পরিবহণের মালিক-শ্রমিকরা দুই মাস পড়ে থাকা বাসগুলো ধুয়ে-মুছে পরিস্কার করছেন। প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন রাস্তায় যানবাহন নামানোর। শূন্যতা কাটিযয়ে ধীরে ধীরে আগের চেহারায় ফিরছে জেলার সবগুলো টার্মিনাল ও টিকেট কাউন্টারগুলো। অনেকদিন পর কাজে যোগ দিতে পেরে সতেজ ফুরফুরে মেজাজে আছেন শ্রমিকরা। কাল থেকে আবারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠবে বাস টার্মিনাল ও স্টপেজগুলো।

গাইবান্ধা থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পরিবহন চলাচল করে। তবে ভাড়া ও যাত্রী নিয়ে হতাশা রয়েছে মালিক-শ্রমিকদের মাঝে। সাধারণ মানুষও পর্যাপ্ত গনপরিবহন পাবে কি না তা নিয়ে আছেন সংশয়। তারপরও সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বাস চলাচল করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশে ৩১ মে থেকে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সীমিত আকারে গণপরিবহন চলাচলের এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে এসময়ে গণপরিবহণগুলো চলাচলের ক্ষেত্রে ১৫ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশে বলা হয়, উক্ত সময়ে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত বিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহণ, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারে। তবে সব অবস্থায় মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া বিমান কর্তৃপক্ষ ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত নিজ ব্যবস্থাপনায় বিমান চলাচলের বিষয়টি বিবেচনা করবে। পাশাপাশি খুলে দেওয়া হচ্ছে হাটবাজার, দোকানপাট ও শপিংমল। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তা খোলা রাখা যাবে। নিষেধাজ্ঞাকালীন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। তবে অনলাইন পাঠদান অব্যাহত থাকবে।

মতামত