‘অসুন্দর’ শুনে বেড়ে ওঠা মেয়েটিই মিস ইউনিভার্স

0
গায়ের রঙের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার জোজিবিনি তুনজিকে কুৎসিত বলতো তার দেশের একাংশ। কিন্তু হার না মানা সেই জোজিবিনি সৌন্দর্যের সংজ্ঞা পাল্টে দিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছেন মিস ইউনিভার্স ২০১৯ সালের খেতাব। যুক্তরাষ্ট্র সময় ৮ ডিসেম্বর রাতে জর্জিয়ার আটলান্টার টাইলর পেরি স্টুডিওতে তুনজিকে মুকুট পরিয়ে দেন গত আসরের বিজয়ী ফিলিপাইনের ক্যাটরিওনা গ্রে। খেতাব জয়ের পর তুনজি সেই পুরোনো দিনের বঞ্চনার কথা বললেন, আমি এমন একটি বিশ্বে বেড়ে উঠেছি, যেখানে আমার মতো মেয়েদের চামড়ার রং এবং চুলের কারণে সুন্দরীদের কাতারে ফেলা হয় না। কেউ কেউ তো কুৎসিত বা অসুন্দরও বলে। আমি মনে করি আজ থেকেই এটা থামানোর সময়। আমি চাই বাচ্চারা আমার দিকে তাকাক। আমার মুখ দেখুক। দেখাতে চাই আমাতেই ফুটে ওঠে তাদের মুখ। মিস পুয়ের্তো রিকো ম্যাডিসন অ্যান্ডারসন ও মিস মেক্সিকো সোফিয়া আরাগানকে পেছনে ফেলে সেরার স্থানটি অর্জন করেন এই সুন্দরী। ২০১৭-এর পর ফের দক্ষিণ আফ্রিকার তুনজি পেলেন এই বিশ্ব সুন্দরী খেতাব। এদিকে, সেরা ২০-এ জায়গা করে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রতিযোগী শিরিন আক্তার শিলা। কিন্তু অবশেষে তাকে মুকুটবিহীন ফিরতে হচ্ছে। ৯০টি দেশের ৯০ জন প্রতিযোগী নিয়ে শুরু হয়েছিল এই আসর। সেখান থেকে বেছে নেয়া হয় শীর্ষ ১০ জন প্রতিযোগীকে। সেরা তিনে স্থান পান তুনজি, ম্যাডিসন অ্যান্ডারসন ও সোফিয়া আরাগন। অনুষ্ঠানের প্রশ্ন পর্বে তিন সুন্দরীর জন্যই ছিল একটি প্রশ্ন- বর্তমান সমাজে দাঁড়িয়ে তরুণীদের জন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিতে চাও তুমি? দক্ষিণ আফ্রিকার সুন্দরী তুজি তার দারুণ মন্তব্যে বিচারকদের মন কেড়ে নেন। অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তুনজি পেলেন এবারের বিশ্ব সুন্দরীর খেতাব।

মতামত